বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২০, ০৭:০০ অপরাহ্ন

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি:
চাটগাঁ সময় পত্রিকায় চট্টগ্রাম মহানগর সহ বিভাগের আওতাধীন সকল জেলা, উপজেলা এবং কলেজ / বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে । যোগাযোগ : ০১৯৬৫-৬৫২৭৯৬ ।

দীঘিনালাকে একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো: হাজী মোঃ কাশেম

আবদুল জলিল।খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি: প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার অন্যতম একটি উপজেলার নাম দীঘিনালা। এটি খাগড়াছড়ি জেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জনপদ। ১৯২০ সালে দীঘিনালা থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালে এটি উপজেলায় উন্নীত হয়।

দীঘিনালা-বাবুছড়া রোডের বড়াদম এলাকায় ১৬শ শতাব্দীতে তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্যের মহারাজ এলাকাবাসীর সুপেয় পানির উৎস্যের জন্য একটি দীঘি খনন করেন। চতুর্দিকের অসংখ্য নালা এবং এই দীঘির কারনেই দীঘিনালা নামের উৎপত্তি বলে জানা যায়।১৯৯৭ সালে শান্তি চুক্তির আওতায় এই দীঘির পাড়ে আত্মসমর্পণকারী শান্তি বাহিনী সদস্যগণের অনেকে অস্ত্র সমর্পণ করেন। জনসংখ্যার দিক থেকে এ উপজেলায় এক-তৃতীয়াংশ বাঙালি ও দুই-তৃতীয়াংশ পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বসবাস।

একসময় শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান, খাদ্য সহ নানান দিক থেকে পিছিয়ে পড়া দীঘিনালা উপজেলা আজ উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এ উপজেলায় বর্তমান সফল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মোঃ কাশেম।



এছাড়াও তিনি বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দীঘিনালা উপজেলা শাখার সভাপতি। উপজেলা বাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থেকে বেশ জনপ্রিয় একজন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত তিনি।

চাটগাঁ সময় পত্রিকার খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি আবদুল জলিল ও দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ আবুল কালাম আজাদ’র সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে হাজী মোঃ কাশেম উপজেলাবাসীকে নিয়ে তার স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন।

তবে প্রথমেই তিনি শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। এরইসাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা, ২৯৮ নং খাগড়াছড়ি আসনের সাংসদ ও খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবু কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, জেলা-উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ সকল অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মী, সমর্থক এবং জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগণ তথা উপজেলা বাসীকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, দীঘিনালা উপজেলা বাসী আমাকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করে আমাকে ঋণী করে তুলেছেন। এই ঋণ আমি উন্নয়ন ও বিপদ-আপদে জনগণের পাশে থেকে শোধ করতে চাই। এজন্য উপজেলা বাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।

বর্তমান সময়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে যে উন্নয়ন অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে তারই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকরণে দীঘিনালায় কৃষি, বিদ্যুৎ, শিক্ষা, প্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট, শিল্প সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াঙ্গনে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে।
তিনি আরও বলেন, উপজেলার অবকাঠামোগত সুযোগ সৃষ্টি করে জনসেবার ব্যবস্থা করাই আমার অন্যতম পরিকল্পনা। শিক্ষিত হয়েও উপজেলার অনেক ছেলে-মেয়ে কাজের সুযোগ না থাকায় বেকার রয়েছেন।

তাই তাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে কাজে লাগাবো। দলের নেতাকর্মীদের ঐক্য ও সাধারণ মানুষের ভালবাসা ধরে রাখতে চেষ্টা করবো। তাছাড়া শিক্ষা ও সংস্কৃতির জন্য পরকল্পিত প্লাটফর্ম গঠন করে মানবিক উপজেলা হিসেবে রূপান্তরিত করবো।

দীঘিনালাকে একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো। সমাজের মধ্যে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা এবং উপজেলার জনগনের মৌলিক চাহিদা পূরণ করাই আমার অন্যতম পরিকল্পনা। তাছাড়া সাম্প্রদায়িকতা, ইভটিজিং, যৌতুক, বাল্যবিবাহ প্রভৃতি প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

সামাজিক অবক্ষয় রোধে জনসাধারণকে সাথে নিয়ে মাদক, সন্ত্রাস, দূর্নীতি, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি সহ স্বাধীনতা বিরোধী সকল শক্তির বিরূদ্ধে গণ আন্দোলন গড়ে তুলবো।

সংবাদটি আপনার ফেসবুকে শেয়ার করুন...





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *



















© All rights reserved © 2019 Chatga Somoy
Design & Developed BY N Host BD