মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০১:২০ অপরাহ্ন

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি:
চাটগাঁ সময় পত্রিকায় চট্টগ্রাম মহানগর সহ বিভাগের আওতাধীন সকল জেলা, উপজেলা এবং কলেজ / বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে । যোগাযোগ : ০১৯৬৫-৬৫২৭৯৬ ।
সংবাদ শিরোনাম :
পুঁথিগবেষক ইসহাক চৌধুরী আর নেই ভাস্কর্য নিয়ে মৌলবাদী বক্তব্য; দীঘিনালায় বিক্ষোভ মিছিল নন্দনকানন গৌর নিতাই আশ্রমে অন্নকূট উৎসব গ্রাহক হয়রানি করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার পায়তারা সহ্য করা হবে না: রেজাউল করিম চৌধুরী কুতুবদিয়ার জলদস্যু সম্রাট ছালেহ আহমদ আটক সীতাকুণ্ডে ইয়াবাসহ নারী আটক বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে “বঙ্গবন্ধু স্মৃতি ফাউন্ডেশন-চট্টগ্রাম’ এর মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিম বিক্রিকালে রোহিঙ্গা যুবক আটক পার্বত্য এলাকায় উন্নয়নের সুফল পাচ্ছে জনগণ: পার্বত্য মন্ত্রী করোনাকালীন সময়ে প্রতিবন্ধীদের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

চট্টগ্রামে ভুমিধসের শংকায় পাহাড়ে মাইকিং







নিজস্ব প্রতিবেদক: বন্দরনগরী চট্টগ্রামে হচ্ছে বিরতীহীন বৃষ্টি। এই ভারী বৃষ্টিতে শংকা জাগিয়েছে ভুমি ধ্বসের। তার উপর লঘুচাপেরও প্রভাব। তাই চট্টগ্রাম মহানগরীর অভ্যন্তরে ঝুঁকিপূর্ণ ১৭ টি পাহাড় এবং বায়েজিদ -ফৌজদারহাট সিডিএ লিংক রোড এলাকায় পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ এনডিসির নির্দেশে আজ সকাল থেকেই চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের তত্ত্বাবধানে মহানগরীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) গণ করোনাকালীন সময়ে নতুন ঝুঁকিপূর্ণ ১৬ টি পাহাড়ের লোকজনকে অপসারণ করতে মাইকিং করা হয়।



আজ দুপুর থেকে কাট্টলী সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তৌহিদুল ইসলামস্থানীয় আকবর শাহ থানা পুলিশের উপস্থিতিতে পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা থেকে লোকজনকে অপসারণ করতে আকবর শাহ থানাধীন ফিরোজ শাহ এলাকার ঝিল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে কাট্টলী সার্কেলাধীন ফয়েজ লেক সংলগ্ন ঝিল-১,২ ও ৩ নং এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি বসতি থেকে ১০০ টির মতো পরিবারকে অপসারণ করা হয়েছে। তাছাড়া অপসারণ করা পরিবারের মধ্যে ৩০টি পরিবারকে ফিরোজ শাহ পি-ব্লক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।



উল্লেখ্য,ফয়েজ লেক ও আশেপাশের এলাকার প্রায় ৩৩৬ একরের মতো জায়গা কনকর্ড গ্রুপকে রেলওয়ে বিনোদন পার্ক হিসেবে ব্যবহারের জন্য লীজ দিয়েছিল। ২০১৭ সালে রেলওয়ে কনকর্ড গ্রুপের সাথে লীজ বাতিল করে। যার বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্টে রীট দায়ের করে কনকর্ড গ্রুপ। ঐ রীটে মহামান্য হাইকোর্ট Status-Quo জারি করে। এরপর ফয়েজলেক এলাকার চারদিকের পাহাড়ি জমিতে স্থানীয়রা অপদখল চালায়। লীজ গ্রহীতা কনকর্ড গ্রুপ ও রেলওয়ের নজরদারির ঘাটতিতে ঝিল এলাকায় পাহাড়ি জমি কেটে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে।



উচ্চ আদালতে রীটটি এখনো অনিষ্পন্ন থাকায় রেলওয়ে কিংবা কনকর্ড গ্রুপের পক্ষ থেকে সময়োচিত পদক্ষেপ-ও গ্রহণ করা হচ্ছে না। ঝিল এলাকায় বিভিন্ন স্বনামধন্য এনজিও সংস্থাও কাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়েই এনজিও-র অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে নানা প্রকল্প। নির্মাণ করা হয়েছে ঘর, স্কুল, স্যানিটারি টয়লেট। এমনকি আজকে পরিদর্শনের সময় স্থানীয়রা জানায় ঝিল এলাকায় জাইকার অর্থায়নে ওয়াসার পক্ষ থেকে সুউচ্চ পাহাড়ি এলাকায় সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সংবাদটি আপনার ফেসবুকে শেয়ার করুন...
















Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *
















© All rights reserved © 2019 Chatga Somoy
Design & Developed BY N Host BD